1. channels5@channels5.online : CHANNEL S5 : CHANNEL S5
  2. info@www.channels5.online : CHANNEL S5 :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষাই আগামীর বাংলাদেশের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী নিউজিল্যান্ড সিরিজে ভারতের দল ঘোষণা, প্রথম তিন ওয়ানডেতে অধিনায়ক গিল ৯ মাসে প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে ৪১০টি অপতথ্য ছড়ানোর দাবি প্রেস সচিবের লিটনের সেঞ্চুরিতে বড় লক্ষ্য, জয়ের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ নেপালে আকস্মিক বন্যা: ২০০ বাড়ি ও ৫ সেতু বিধ্বস্ত, নিখোঁজ ৫ জনের সন্ধানে উদ্ধারকর্মীরা ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে ভারতে বিক্ষোভ অব্যাহত, নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি হাসানের ঐতিহাসিক হ্যাটট্রিক, আফগানিস্তানের বিপক্ষে চালকের আসনে বাংলাদেশ দুর্গাপূজার ছুটিতে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে তিন পথেই বিশেষ প্রস্তুতির নির্দেশ মন্ত্রীর আগামীকাল মহালয়া, দুর্গাপূজার ক্ষণগণনা শুরু পাওনা না দিলে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলনের ঘোষণা

সংস্কারের রাজনীতির একমাত্র ধারক-বাহক এখন উগ্র ডানপন্থী ও গণহত্যাকারীরা: হাসনাত কাইয়ূম

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৯ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা, ১৯ জুলাই ২০২৬ (বাসস): রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম বলেছেন, উগ্র ডানপন্থী ও ঐতিহাসিকভাবে গণহত্যার সঙ্গে যুক্ত শক্তিগুলো বর্তমানে সংস্কারের রাজনীতির একমাত্র ধারক-বাহক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।

রোববার সকালে রাজধানীর তোপখানা রোডে ‘গণতন্ত্র মঞ্চের ওপর হামলার ২ বছর: সংস্কারের রাজনীতির পূর্বাপর ও আজকের করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এ সভার আয়োজন করে।

হাসনাত কাইয়ূম বলেন, বর্তমান পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ নামে জোটটির আর অস্তিত্ব নেই। তবে শেখ হাসিনার দীর্ঘ দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা শক্তিশালী প্রতিবাদের জোট হিসেবে একসময় গণতন্ত্র মঞ্চ জনগণের কাছে আশার প্রতীক হয়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি করেছিল।

তিনি বলেন, জোটগতভাবে সংস্কারের রাজনীতির ক্ষেত্রে গণতন্ত্র মঞ্চ ছিল দেশের অন্যতম পথিকৃৎ। তবে জোটটির কিছু নেতার পরবর্তী রাজনৈতিক স্বার্থপরতা ও লক্ষ্যহীনতার কারণে বাংলাদেশের সংস্কারের রাজনীতি সামগ্রিকভাবে অভিভাবকহীন ও দিশাহীন পরিস্থিতিতে পড়েছে।

রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি জানান, গত এক বছর বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে ‘গণতন্ত্র মঞ্চ প্লাস’ নামে একটি শক্তিশালী তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই উদ্যোগ সফল হলে সংস্কারের রাজনীতিতে বর্তমানের মতো দিশাহীনতা তৈরি হতো না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

‘আমাদের দুর্ভাগ্য, আমরা সময়মতো সেই কাঙ্ক্ষিত বিকল্প শক্তি সফলভাবে গড়ে তুলতে পারিনি,’ বলেন হাসনাত কাইয়ূম।

নতুন বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন মানদণ্ড প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন রাজনীতিবিদদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে দেখতে হবে—কে নিজের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন আর কে বাংলাদেশকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। একইভাবে অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে কে ব্যক্তিস্বার্থে ছিলেন এবং কে জনগণের স্বার্থে কাজ করেছেন, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে।

সভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) ভাইস প্রেসিডেন্ট কে এম জাবির, অহিংস গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নজরুল হক, সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুল আলম চৌধুরী, নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশনের (এনপিএ) সংগঠক বাকী বিল্লাহ, বাংলাদেশ ভূমিহীন আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক শেখ নাসিরউদ্দিন এবং জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি পার্টির (জেডিপি) আহ্বায়ক নাঈম আহমাদসহ অন্যরা।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট