গ্রামীণফোনের কাছে দীর্ঘদিনের আইনগত ও ন্যায্য পাওনা আদায়ের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন সাবেক ও সংশ্লিষ্ট কর্মীরা। আন্দোলনকারীদের দাবি, দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে তাদের ন্যায্য পাওনা আটকে রয়েছে। এর প্রতিবাদে তারা গত ১৬ মাস ধরে ধারাবাহিক আন্দোলন করে আসছেন।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পাওনা আদায়ের দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে তারা হয়রানির শিকার হয়েছেন। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে আইনিভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।
তাদের দাবি, গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষকে দ্রুত আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে এবং আলোচনার মাধ্যমে একটি যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত ‘ফিজিবল অ্যামাউন্ট’ নির্ধারণ করে পাওনা পরিশোধের উদ্যোগ নিতে হবে।
আন্দোলনকারীরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করেও ন্যায্য পাওনা না পাওয়ায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।
তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ন্যায্য পাওনা আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। প্রয়োজনে বেনিফিশিয়ারি, তাদের পরিবার, গ্রামীণফোনের প্রায় ৯ কোটি গ্রাহক এবং দেশের ১৮ কোটি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে বৃহত্তর ও দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
আন্দোলনকারীদের প্রত্যাশা, গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ দ্রুত আলোচনায় বসে বিষয়টির একটি গ্রহণযোগ্য ও স্থায়ী সমাধান করবে।
Like this:
Like Loading...
Related